পশ্চিম এশিয়ার সংকটটি একটি জ্বালানি-চালিত অভিঘাত, যা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলেছে। হরমুজ প্রণালী একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ সমুদ্রপথ, যা দিয়ে বিশ্বের প্রায় ৩৮% অপরিশোধিত তেল, ১৩% সারের মতো রাসায়নিক পদার্থ এবং ২.৪% শস্যের মতো শুষ্ক বাল্ক কার্গো পরিবহণ করা হয়। এর অস্থিতিশীলতার প্রভাব জ্বালানি বাজারের বাইরেও সুদূরপ্রসারী। ভারতের জন্য, এই বিঘ্ন সরবরাহ শৃঙ্খল, সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক, উৎপাদন, বাণিজ্য ঘাটতি এবং জীবনযাত্রার মানের উপর চাপ বাড়িয়েছে। জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় এবং রুপির মূল্য নতুন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসায় এই অভিঘাত বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে। এই সংকটের প্রভাব এর সঙ্গে জড়িত মানবিক ক্ষতিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। জ্বালানি, উপকরণ এবং মাল পরিবহণের খরচ বাড়ার ফলে পরিবারের আয় কমে গিয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে এবং সরকারি অর্থায়নের উপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
মানুষের জীবিকার উপর এই যুদ্ধের পরিণতি সুদূরপ্রসারী, যা কর্মসংস্থান, ক্রয়ক্ষমতা সমতা, খাদ্য নিরাপত্তা, জীবনযাত্রার মান, অভিবাসন এবং অন্যান্য মানব উন্নয়ন সূচক পর্যন্ত বিস্তৃত। যদিও কিছু তাৎক্ষণিক প্রভাব ইতিমধ্যেই লক্ষণীয়, অন্যগুলি সম্ভবত ভবিষ্যতে স্পষ্ট হবে। এই দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবগুলি প্রায়শই ব্যক্তির পছন্দের স্বাধীনতাকে সীমিত করে এবং তাদের সর্বোত্তম কার্যকারিতাকে বাধাগ্রস্ত করে। ভারতের জন্য, যুদ্ধের প্রভাব অসম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার প্রাথমিক ঝুঁকি বহন করবে নারী, যুবক এবং কৃষকের মতো দুর্বল গোষ্ঠীগুলি।
ভারত বিশ্বের বৃহত্তম ইউরিয়া এবং ডায়ামোনিয়াম ফসফেট আমদানিকারক হওয়ায় এই ক্ষেত্রটি অত্যন্ত বেশি রকমের আমদানিনির্ভর এবং বাহ্যিক ধাক্কার ঝুঁকিতে থাকে।
সারের প্রাপ্যতা শক্তির চাহিদার উপর গভীরভাবে নির্ভরশীল। পশ্চিম এশিয়া বৈশ্বিক সার উৎপাদনের একটি প্রধান কেন্দ্র হওয়ায়, সারের সরবরাহ শৃঙ্খলে এই ব্যাঘাত বৈশ্বিক খাদ্য ও কৃষি সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে কাজ করছে। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম ইউরিয়া এবং ডায়ামোনিয়াম ফসফেট আমদানিকারক হওয়ায় এই ক্ষেত্রটি অত্যন্ত বেশি রকমের আমদানিনির্ভর এবং বাহ্যিক ধাক্কার ঝুঁকিতে থাকে।
২০২৫ সাল নাগাদ এই ক্ষেত্রে প্রায় ৪৩% কর্মসংস্থান নিশ্চিত হওয়ায়, দেশে কর্মসংস্থানের বৃহত্তম অংশ এখনও কৃষিক্ষেত্রেই রয়েছে। এই যুদ্ধ সেই কৃষকদের জন্য ক্ষতিকর হয়েছে যাঁরা এমনিতেই স্বল্প মুনাফায় কাজ করেন; আর এর প্রভাব অত্যন্ত কঠোর। উপরন্তু, সারের ক্রমবর্ধমান মূল্য তাদের উপকরণের ব্যবহার কমাতে বা এমন ফসল চাষে বাধ্য করতে পারে যাতে কম উপকরণের প্রয়োজন হয়, যার ফলে প্রায়শই ফলন ও আয় কমে যায়। উদাহরণস্বরূপ, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা এবং কর্ণাটকের আম উৎপাদনকারীরা মূল্য সংকটের সম্মুখীন হচ্ছেন, কারণ রপ্তানি চালানে বিলম্বের কারণে তারা লোকসানে আম বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। একইভাবে, ২০২৬ অর্থবর্ষে বাসমতি ও নন-বাসমতি চালের রপ্তানি মূল্য আগের বছরের তুলনায় ৭.৫% কমেছে। খাদ্যশস্য ও ফলের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বৃদ্ধিও কৃষকদের জন্য আর্থিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চলমান সংকটের মধ্যে, ২০২৭ অর্থবর্ষের জন্য সার ভর্তুকি বিল ৭০,০০০ কোটি টাকা বেড়ে ২.৪১ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছনোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই বৃদ্ধি কৃষকদের জন্য সারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি সরকারি অর্থায়নের উপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে এবং ফলস্বরূপ ভোক্তা কল্যাণকে প্রভাবিত করতে পারে।
এই ধরনের সংকটের মুখে, পরিবার একটি সংকট-শোষক হয়ে ওঠে এবং এর মধ্যে নারী ও শিশুরা প্রায়শই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়। এই ক্ষতিগুলি অপুষ্টি, চিকিৎসা সেবার অভাব, পড়াশোনায় ব্যাঘাত এবং অবৈতনিক পরিচর্যার কাজ বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের অন্তর্নিহিত প্রভাব প্রকাশ করে। ভারতের নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার বিশ্বব্যাপী সর্বনিম্নগুলির মধ্যে অন্যতম, এবং নারীদের বেতনভুক্ত কর্মসংস্থানে যে কোনও অগ্রগতি সহজেই যে কোনোও ধাক্কায় নষ্ট হয়ে যেতে পারে। উপরন্তু, বিশ্বব্যাপী খাদ্যের দাম বাড়ার সাথে সাথে স্কুল খাদ্য প্রকল্পের উপর নির্ভরশীল শিশুদের জন্য এর পরিণতি প্রকট হয়ে উঠেছে। এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ার কারণে মিড-ডে মিল ব্যাহত হয়েছে এবং অনেক গ্রামের স্কুল অপুষ্টি, ক্ষুধা ও পুষ্টিহীনতার বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে, যা স্কুল ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণও হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা (এমইএনএ) অঞ্চল ভারতীয় নারী অভিবাসীদের জন্য একটি প্রধান গন্তব্য হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। বর্তমানে, ভারতীয় নারী অভিবাসী কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৩৫ লক্ষ। এই অভিবাসন প্রবণতা, বিশেষ করে এমইএনএ অঞ্চলে, কয়েক দশক ধরে উল্লেখযোগ্য এবং ক্রমবর্ধমান। তবে, চলতি সংকটের কারণে পশ্চিম এশিয়া থেকে অভিবাসী শ্রমিকেরা ফিরে আসতে পারে, যা এই নারীদের জীবিকা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কমিয়ে দিতে পারে।
এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ার কারণে মিড-ডে মিল ব্যাহত হয়েছে এবং অনেক গ্রামের স্কুল অপুষ্টি, ক্ষুধা ও পুষ্টিহীনতার বিপদের সম্মুখীন, যা স্কুল ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণও হতে পারে।
ইরান যুদ্ধের কারণে ভারতের যুব-কেন্দ্রিক জনসংখ্যা থেকে প্রাপ্ত জনসংখ্যাগত সুবিধা বিপন্ন হতে পারে। ইরান যুদ্ধ এই সুবিধাকে ঝুঁকিতে ফেলছে, কারণ এটি ভারতের ওপর সেইসব সামষ্টিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আঘাত হানছে যা যুবকদের সুযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জ্বালানির দাম, খাদ্যের দাম, রাজস্ব সংস্থান, শিল্প ব্যয়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এমএসএমই) কার্যকারিতা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি। ভারত এমনিতেই একটি দুর্বল কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে ইরান যুদ্ধের ধাক্কার মুখোমুখি হয়েছিল। পিএলএফএস ২০২৫ অনুযায়ী, ১৫-২৯ বছর বয়সী যুবকদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৯.৯%, যেখানে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে সামগ্রিক বেকারত্বের হার ৩.১%। শহুরে যুব বেকারত্বের হার ১৩.৬ শতাংশে বেশি ছিল। এই ধাক্কা গ্রামীণ অকৃষি কর্মসংস্থানকেও বিপদের মুখে ফেলেছে, বিশেষ করে খুচরা, মেরামত, সরবরাহ, নির্মাণ, কৃষি-পরিষেবা এবং ক্ষুদ্র উৎপাদন খাতে, যেখানে বহু তরুণ কর্মরত। ভারতের জনতাত্ত্বিক সুবিধা বহুলাংশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এমএসএমই) উপর নির্ভরশীল, কারণ কৃষিক্ষেত্রের বাইরে প্রথমবারের মতো কর্মসংস্থানের আওতায় আসা কর্মীদের এরাই প্রধানত গ্রহণ করে। মূল্যস্ফীতি, কার্যকারী মূলধনের সংকট এবং দুর্বল ভোক্তা চাহিদার কারণে ইরান যুদ্ধ এমএসএমই-তে কর্মসংস্থানকে দুর্বল করে দিতে পারে। একটি দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট সরকারকে জ্বালানি ভর্তুকি, সার ভর্তুকি, খাদ্য সহায়তা, কৌশলগত আমদানি, জাহাজ বিমা বা বিনিময় হার ব্যবস্থাপনার মতো ক্ষেত্রে আরও বেশি ব্যয় করতে বাধ্য করতে পারে, যা দক্ষতা উন্নয়ন, সরকারি কর্মসংস্থান সহায়তা, শিল্প ক্লাস্টার, শিক্ষানবিশি, শিক্ষার মান এবং স্বাস্থ্যখাতে সরকারি অর্থায়নকে সংকুচিত করতে পারে। এলপিজির ক্রমবর্ধমান খরচের কারণে অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত যুবকদের শহর থেকে গ্রামে স্থানান্তর শুধু কৃষি ক্ষেত্রের উপর বোঝাই সৃষ্টি করবে না, বরং যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগও হ্রাস করবে।
দুর্বল জনগোষ্ঠীগুলির জন্য সংকট মোকাবিলার পদক্ষেপগুলির ভিত্তি স্বল্পমেয়াদি সংকট মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত নীতি সংস্কার উভয়ই হওয়া প্রয়োজন। যদিও নীতিগত পদক্ষেপ ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে, কৃষকদের আয় সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে সরকার ব্যাপক প্রকল্পের পরিবর্তে ইউরিয়া ও ডিএপি-র প্রাপ্যতাকে অগ্রাধিকার দিতে পারে এবং সরাসরি সুবিধা হস্তান্তরের পথ বেছে নিতে পারে। এই পদ্ধতি রাজস্ব বোঝা কমানোর পাশাপাশি বীজ বপনের সিদ্ধান্তকেও সুরক্ষিত রাখে। উৎপাদন খরচের ঊর্ধ্বগতিতে জর্জরিত কৃষকদের সহায়তার জন্য ঋণ প্রাপ্যতা বৃদ্ধি এবং সুদ ভর্তুকি নীতির আওতায় ইতিমধ্যে জামানতবিহীন কৃষি ঋণের সীমা ১.৬ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। এই সংকটকালে বীজ, পশুখাদ্য এবং সেচ খরচের জন্য সুদ ভর্তুকির মাধ্যমে এই সীমা আরও বাড়ানো যেতে পারে। রাজ্যগুলি শাকসবজি, ফল, দুধ, হাঁস-মুরগি এবং মাছের মতো পচনশীল পণ্যের জন্য পরিবহণ ভর্তুকি চালু করতে পারে। এছাড়াও, সার ক্রয় একত্রিত করতে, পরিবহণ খরচ নিয়ে আলোচনা করতে, গুদাম থেকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পেতে, এবং কৃষকদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য কৃষক উৎপাদনকারী সংগঠন (এফপিও), স্বনির্ভর গোষ্ঠী (এসএইচজি) এবং অন্যান্য কৃষক সমবায়কে সমর্থন প্রসারিত করা যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের মধ্যে কোল্ড চেন স্টোরেজ এবং স্থানীয় প্রক্রিয়াকরণ সুবিধায় বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। সবুজ সার এবং নবায়নযোগ্য-সংযুক্ত উপকরণের দিকে পরিবর্তনের জন্য প্রণোদনা রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরতা কমানো এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানের দিকে যাওয়ার দ্বৈত উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরে আসা পরিযায়ী নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং বেসরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি চাকরির নিরাপত্তা অর্জন করা যেতে পারে।
নারীদের জন্য, সম্প্রসারিত এসএইচজি-ভিত্তিক ঋণ এবং জীবিকা সহায়তা স্বল্প সুদে কার্যকরী মূলধন, জরুরি উপভোগ ঋণ, পুষ্টি কিট এবং জীবিকা অনুদান প্রদান করতে পারে। বাজেটের অর্থ অন্য খাতে ব্যয়ের থেকে অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের পুষ্টিকর খাবার, মাতৃস্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কমিউনিটি শিশুযত্নকে রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরে আসা পরিযায়ী নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং বেসরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি চাকরির নিরাপত্তা অর্জন করা যেতে পারে।
যুবকদের জন্য, এমএসএমই (ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প), লজিস্টিকস, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, নবায়নযোগ্য শক্তি, মেরামত পরিষেবা, কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ এবং উৎপাদন ক্লাস্টারগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে কর্মসংস্থান-সংযুক্ত প্রণোদনা প্রকল্পটি একটি সংকট-প্রতিরোধী হাতিয়ার হতে পারে। এর জন্য বৃহৎ সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, শিল্প পার্ক এবং এমএসএমই ক্লাস্টারগুলিকে উৎপাদন, লজিস্টিকস, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সবুজ শক্তি এবং ডিজিটাল পরিষেবা ক্ষেত্রে বেতনভুক্ত শিক্ষানবিশদের নিয়োগ করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার দেওয়া কর্মসূচির অনুরূপ একটি কর্মসংস্থান সাফল্য প্যাকেজ কর্মসূচি অবশ্যই কর্মসংস্থানযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য বিশেষায়িত চাকরি খোঁজায় সহায়তা করতে এবং প্রশিক্ষণ প্রদান করতে পারে।
পশ্চিম এশিয়ার সংকটটি সংকট-প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য আরও একটি জোরালো অনুস্মারক, যা মূলত দুর্বল জনগোষ্ঠীকেই বেশি করে মোকাবিলা করতে হয়। কাঠামোগত নীতি পরিবর্তন এবং আপৎকালীন ব্যবস্থার জন্য কাঠামো আগের চেয়ে এখন আরও বেশি প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন।
এই ভাষ্যটি প্রথম হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত হয়েছিল।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Shruti is an Associate Fellow at the Centre for Development Studies, Observer Research Foundation (ORF), where her research examines the intersections between policy, economic diplomacy ...
Read More +