দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের ফলাফল বেশির ভাগ রাজনৈতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। প্রথার বিরুদ্ধে গিয়ে বিরোধী দল বর্তমান প্রেসিডেন্টের দলের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছে এবং ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিভাজন আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর অর্থ হল, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি বা জাতীয় পরিষদে রাজনৈতিক অচলাবস্থা অব্যাহত থাকবে। ফলাফল স্পষ্টতই বর্তমান প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর নীতির বিরুদ্ধে ভোটারদের ভিন্নমতকে দর্শায়। ইন্দো-প্যাসিফিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে দক্ষিণ কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ এবং বিদেশনীতির উপর নির্বাচনের প্রভাব বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।
একটি পুনর্নবীকৃত রাজনৈতিক পরিসর
দক্ষিণ কোরিয়ার সাধারণ নির্বাচনে বিরোধী দল ব্যাপক ব্যবধানে জয়লাভ করেছে এবং জাতীয় পরিষদে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। ৩০০ সদস্যের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অব কোরিয়ার (ডিপিকে) নেতৃত্বে বিরোধী দল ১৭৫টি আসনে জয় লাভ করে, যার মধ্যে ১০৮টি আসনে জয় লাভ করা পিপলস পাওয়ার পার্টির (পিপিপি) বিপরীতে আনুপাতিক আসন সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত। ডিপিকে এবং পিপিপির মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ডিপিকে ২৫৪টি আসনের মধ্যে ১৬১টি আসনে জয়লাভ করে। ডিপিকে রাজধানী অঞ্চলের প্রায় সব ক’টি আসনেই জয়লাভ করেছে যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক পরিষদীয় আসন অন্তর্ভুক্ত। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও ৬৭ শতাংশ ভোটারের অংশগ্রহণ নিবন্ধিত হয়েছিল, যা গত ৩২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
আরকেপি পিপল ফিউচার পার্টি এবং ডেমোক্র্যাটিক ইউনাইটেড পার্টির মতো বিরোধীদের মধ্যে সর্বনিম্ন সমর্থনের প্রায় ২৪ শতাংশ অর্জন করেছে। পিপল ফিউচার পার্টি এবং ডেমোক্র্যাটিক ইউনাইটেড পার্টি আসলে প্রধান বিরোধী দলগুলির শাখা-দল।
প্রধান বিরোধী দল ডিপিকে ছাড়াও প্রাক্তন জাস্টিস মিনিস্টার চো কুকের নেতৃত্বে রিবিল্ডিং কোরিয়া পার্টির (আরকেপি) মতো কিছু ছোট দলও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশ করেছে। দলটি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ১২টি আনুপাতিক আসন পেয়েছে, যা দলটিকে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি করে তোলে। আরকেপি পিপল ফিউচার পার্টি এবং ডেমোক্র্যাটিক ইউনাইটেড পার্টির মতো বিরোধীদের মধ্যে সর্বনিম্ন সমর্থনের প্রায় ২৪ শতাংশ অর্জন করেছে। পিপল ফিউচার পার্টি এবং ডেমোক্র্যাটিক ইউনাইটেড পার্টি আসলে প্রধান বিরোধী দলগুলির শাখা-দল। একই ভাবে, প্রাক্তন পিপিপি প্রধান লি জুন-সিওকের নেতৃত্বাধীন নিউ রিফর্ম পার্টিও (এনআরপি) দু’টি আসনে জিতেছে।
ক্ষমতাসীন দলের পরাজয়ের পর প্রাইম মিনিস্টার হান ডাক-সু এবং পিপিপি প্রধান হান ডং-হুন-সহ অনেক বর্ষীয়ান মন্ত্রী খারাপ ফলাফলের দায় নিয়ে প্রেসিডেন্টের কাছে নিজেদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
দীর্ঘায়িত আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত অচলাবস্থা
কনজারভেটিভ পার্টির পরাজয়ের পর আশা করা হচ্ছে যে, প্রেসিডেন্ট সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসকদের বিক্ষোভের মতো অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলি সম্পর্কে তাঁর আগ্রাসী অবস্থানে বদল ঘটাবেন এবং মুদ্রাস্ফীতি, জীবিকা নির্বাহের খরচ ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচকমণ্ডলীর দ্বারা প্রকাশ করা উদ্বেগের প্রতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠবেন। বিশেষ করে ২০ এবং ৩০-এর কোঠায় থাকা যুব পুরুষ ভোটারদের প্রতি তিনি আরও সংবেদনশীল হবেন। কারণ তাঁরা দলের মূল নির্বাচনী অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর দলের পরাজয়ের পর প্রেসিডেন্ট নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করেছেন এবং ভোটারদের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সাধারণ নির্বাচনে জনগণের যে ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে, আমি তা মাথা পেতে নেব এবং প্রশাসনের সংস্কারে সচেষ্ট হব। এর পাশাপাশি অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে এবং মানুষের জীবিকার পরিমাণে বাড়াতে যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’ জন-আবেগ প্রতিধ্বনিত করে সংরক্ষণশীল গণমাধ্যম চোসুন এ বিষয়ে সহমত হয়েছে যে, নির্বাচনের ফলাফল প্রেসিডেন্টের ‘প্রশাসন’ এবং তাঁর দলের ‘অনুভূত অহঙ্কার ও অকার্যকারিতা’র প্রতি একটি তিরস্কার স্বরূপ।
এখন যেহেতু প্রেসিডেন্টের দলের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তাই তিনি মুলতুবি থাকা বিল পাস করতে এবং এমনকি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইন প্রণয়নের জন্য বিরোধীদের সঙ্গে একজোটে কাজ করবেন বলে আশা করা যায়। আগামিদিনে প্রেসিডেন্টের অবস্থান আরও দুর্বল হবে, যা অবশ্যই দলের মধ্যে তাঁর মর্যাদা হ্রাস করবে। কারণ পার্টি তাঁর নেতৃত্বে আরও বেশি সংখ্যক আসন জিততে ব্যর্থ হয়েছে। এ ছাড়া, তাঁর পূর্ববর্তী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে অক্ষমতা তাঁর অবশিষ্ট রাজনৈতিক মেয়াদের উপরেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আগামিদিনে প্রেসিডেন্টের অবস্থান আরও দুর্বল হবে, যা অবশ্যই দলের মধ্যে তাঁর মর্যাদা হ্রাস করবে। কারণ পার্টি তাঁর নেতৃত্বে আরও বেশি সংখ্যক আসন জিততে ব্যর্থ হয়েছে।
রাজনৈতিক ক্ষেত্রে জয়ের পর বিরোধীরা সম্ভবত ফার্স্ট লেডি এবং প্রাক্তন ডিফেন্স মিনিস্টার লি জং-সুপের নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য চাপ দেবে। ডিপিকে এবং চো কুকের দল একটি সুষ্ঠু ও মুক্ত তদন্তের জন্য একজোট হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যাঁদের বিরুদ্ধে এর আগে প্রেসিডেন্ট ভেটো প্রয়োগ করেছিলেন। এটি প্রেসিডেন্টের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলবে। কারণ সাম্প্রতিক বিতর্কের কারণে জনমত ইতিমধ্যেই তাঁর বিপক্ষে গিয়েছে। একই ভাবে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ফলাফলের পরে নির্বাচনের দৌড়ে ঘোষিত অনেক উদার নীতির পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। এর অর্থ হল এই যে, কর, প্রবিধান এবং কর্পোরেশনগুলির জন্য প্রণোদনার ক্ষেত্রে সরকারি পরিকল্পনা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে বামপন্থী দলগুলির তরফে দৃঢ় বিরোধিতার সম্মুখীন হবে। এর বিপরীতে, বামপন্থী দলগুলি ‘ব্যাপক উত্তরাধিকার এবং উপহার সংক্রান্ত কর’, পেনশন সংস্কার ও রাজনৈতিক সমর্থনকে আরও সুসংহত করার লক্ষ্যে শ্রম-বান্ধব নীতির উদ্দেশ্যে গৃহীত আইনগুলিকে সমর্থন করবে।
কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা ক্রমশ কমছে?
কিন্তু বর্তমান নির্বাচনের ফলাফল থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার বিদেশনীতি সম্পর্কে কী বোঝা যায়? ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল দক্ষিণ কোরিয়ার বিদেশনীতিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (ইউএস) সঙ্গে সমন্বিত করার জন্য তাঁর রাজনৈতিক কার্যালয় এবং ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন-চিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে দেশের বিদেশনীতিতে যে কৌশলগত অস্পষ্টতা ছিল, তা কাটিয়ে কৌশলগত স্পষ্টতা দিয়েছেন। দক্ষিণ চিন সাগর, তাইওয়ান প্রণালী এবং উত্তর কোরিয়া-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর অবস্থান থেকেই সিওলের পরিবর্তিত নীতি স্পষ্ট।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড় ভাবে সাযুজ্যপূর্ণ হওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ইউনের প্রশাসন দক্ষিণ কোরিয়ার ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলও প্রকাশ করেছে এবং বিরোধীদের প্রতিরোধ নির্বিশেষে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে চাপ দিয়েছে। উপরন্তু, তিনি উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে তাঁর পূর্বসূরির বিদেশনীতির ভঙ্গিকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং এ হেন প্রক্রিয়ায় চিনকে এড়িয়ে গিয়ে একটি আগ্রাসী পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর আমলে, ইউক্রেন সংঘাত এবং উত্তর কোরিয়ার প্রতি রাশিয়ার সমর্থনের কারণে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কেরও যথেষ্ট অবনতি হয়েছে। এর বিপরীতে ব্রিটেন (ইউকে), পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই) এবং সৌদি আরবের মতো অন্যান্য দেশের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক শক্তিশালী হয়েছে।
তাঁর আমলে, ইউক্রেন সংঘাত এবং উত্তর কোরিয়ার প্রতি রাশিয়ার সমর্থনের কারণে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কেরও যথেষ্ট অবনতি হয়েছে।
যাই হোক, আগামিদিনে প্রেসিডেন্ট অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং বিদেশনীতির মাঝে সাবধানী ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে দ্বিধার সম্মুখীন হবেন। নির্বাচন সরাসরি প্রেসিডেন্টের বিদেশনীতির পদ্ধতিকে প্রভাবিত না করলেও এটি অবশ্যই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং বিদেশনীতিতে তাঁর আরও বেশি করে বিনিয়োগ করার ক্ষমতা খর্ব করবে, যা ছিল তাঁর দু’বছরের প্রেসিডেন্ট মেয়াদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। এমনকি যদি তিনি তাঁর ব্যাপক কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখতে চান, তা হলে তাঁকে তার মূল্য চোকাতে হবে। অর্থাৎ তাঁকে অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ কমাতে হবে, যা বেশ কঠিন কাজ হবে, বিশেষ করে সম্প্রতি তাঁর দলের নির্বাচনী পরাজয়ের পর যখন তিনি ভোটারদের আস্থা ফিরে পেতে আরও বেশি মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তাই প্রেসিডেন্ট কিছু সময়ের জন্য অর্থনৈতিক কর্মসূচির মতো অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলি মোকাবিলায় আরও বেশি করে মনোযোগ দেবেন এবং এর পাশাপাশি ধীরে ধীরে তাঁর কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর চেষ্টা করবেন।
জমি কিছুটা শক্তি হওয়ার পর বিরোধীরা বিদেশনীতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে, যেমনটা এর আগে তারা চিন, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রেও করলেও তেমন সাফল্য পায়নি। এ ভাবে ডিপিকে সরকারের কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার সমালোচনা করে আরও বেশি বাগাড়ম্বর এবং বাধা সৃষ্টি করতে দেখা যাবে। তবে এর কতটা জনসাধারণের উপর প্রভাব ফেলবে, তা একটি বড় প্রশ্ন। কারণ বিদেশনীতি কোনও নির্বাচনী বিষয় নয়। তা সত্ত্বেও সিওলের কূটনৈতিক সম্পর্ক বিরোধীদের নিরীক্ষণের অধীনে থাকবে। জাপান ও উত্তর কোরিয়ার মতো কিছু সম্পর্কের বিষয়ে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হবে। কারণ এই সংক্রান্ত একটি অভ্যন্তরীণ নির্বাচনী ক্ষেত্র রয়েছে। তবে চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপারে অবস্থান পরিবর্তন করা কঠিন কাজ হবে। ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং আসিয়ান সদস্যদের মতো ইন্দো-প্যাসিফিকের সমমনস্ক দেশগুলির সাথে সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
জমি কিছুটা শক্তি হওয়ার পর বিরোধীরা বিদেশনীতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে, যেমনটা এর আগে তারা চিন, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রেও করলেও তেমন সাফল্য পায়নি।
আগামিদিনের পথ
নির্বাচনের ফলাফল প্রেসিডেন্টকে তাঁর দলের পরাজয়ের পর কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছে। এটা প্রত্যাশিত যে, নির্বাচনের ফলাফল প্রেসিডেন্টকে অর্থনৈতিক সমস্যাগুলির মতো অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলিতে আরও বেশি করে মনোযোগ দিতে বাধ্য করবে এবং তাঁর মনোযোগ খানিকটা হলেও বিদেশনীতির কর্মসূচি থেকে সরিয়ে আনবে। বিরোধীদের ভূমিকা শক্তিশালী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রেসিডেন্টকে তাঁর প্রতিশ্রুতির জন্য ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ভিতরে এবং বাইরে আরও বেশি জবাবদিহি করতে হবে। উপরন্তু, বিরোধীদের হাতে বিদেশনীতির রাজনৈতিক সাধনী হয়ে ওঠার ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমস্যাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অচলাবস্থা অব্যাহত থাকবে। এই কারণে প্রেসিডেন্টকে তাঁর রাজনৈতিক পুঁজি পুনর্নির্মাণ ও সশক্তিকরণে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে এবং কূটনীতির বদলে অভ্যন্তরীণ সুনাম অর্জনে বেশি সময় ব্যয় করতে হবে।
অভিষেক শর্মা অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.