Author : Kavya Wadhwa

Published on Mar 10, 2025 Updated 0 Hours ago

ভারতীয় পারমাণবিক ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি এনপিসিআইএল-এর সহযোগিতায় শিল্পটিতে অনুঘটক হিসাবে কাজ করতে প্রস্তুত

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি এবং ভারতীয় পারমাণবিক সীমানা: শক্তি নিরাপত্তার একটি নতুন যুগ

নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (এনপিসিআইএল) ছোট চুল্লির উন্নয়নে বেসরকারি শিল্পক্ষেত্রকে আমন্ত্রণ জানিয়ে, এবং আসন্ন পারমাণবিক প্রকল্পগুলিতে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার জন্য অনুরোধ (আরএফপি) করে, এক সাহসী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করেছে। এই পদক্ষেপ শুধু ভারতের পারমাণবিক ক্ষেত্রের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি সন্ধিক্ষণকেই চিহ্নিত করবে না, সেইসঙ্গে দেশের পারমাণবিক শক্তি শিল্পে একটি আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। নিয়ন্ত্রক অনুমতি  পেলে এনপিসিআইএল দক্ষতা ও প্রযুক্তি ভাগ করে এই শিল্পের অগ্রগামীদের সহায়তা করতে পারবে। এই সহযোগিতা পারমাণবিক কেন্দ্রগুলির নকশা, নির্মাণ ও পরিচালনায় দক্ষতা বৃদ্ধি, খরচ হ্রাস ও উদ্ভাবনে সহায়তা করবে। বিনিময়ে, ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জি (ডিএই)-‌র শুল্ক প্রবিধান সাপেক্ষে শিল্পগুলি তাদের আয়ত্বাধীন ব্যবহার বা পুনঃবিক্রয়ের জন্য বিদ্যুতের মোট উৎপাদন থেকে উপকৃত হবে। ব্যবহারের ক্ষেত্রে দ্বৈত প্রভাবের কারণে এটি শিল্পের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রটির প্রতি সর্বদা সাউথ ব্লক ও অন্যান্য জাতীয় রাজনৈতিক করিডোর বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে, এবং সর্বদা বেসরকারি অংশগ্রহণকারীদের থেকে একে রক্ষা করা হয়েছে। নতুন অভূতপূর্ব পদক্ষেপটি পরিচ্ছন্ন ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রতি ভারতের দায়বদ্ধতাকে শক্তিশালী করে, এবং পারমাণবিক শক্তিতে বেসরকারি ক্ষেত্রের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর এটি একটি বড় পদক্ষেপ।


ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জি (ডিএই)-‌র শুল্ক প্রবিধান সাপেক্ষে শিল্পগুলি তাদের আয়ত্বাধীন ব্যবহার বা পুনঃবিক্রয়ের জন্য বিদ্যুতের মোট উৎপাদন থেকে উপকৃত হবে।


বাজারে বেসরকারি শিল্পসংস্থা

প্রাথমিকভাবে ১৯৬২ সালের পারমাণবিক শক্তি আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত কঠোর নিয়ন্ত্রক কাঠামোর কারণে, যা কেন্দ্রীয় সরকারকে পারমাণবিক শক্তি কার্যক্রমের উপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রদান করেছিল, বেসরকারি সংস্থাগুলিকে সর্বদা পারমাণবিক ক্ষেত্রে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখা হয়েছে। ভারতে, এই ব্যবস্থা ডিএই ও এনপিসিআইএল-এর মতো যুক্তরাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছিল। এই কেন্দ্রীকরণ কার্যকরভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত মূল কার্যক্রমে জড়িত হওয়ার প্রশ্নে বেসরকারি সংস্থাগুলিকে নিষিদ্ধ করেছিল, এবং পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন বা ব্যবহারের প্রশ্নে বেসরকারি সংস্থাগুলিকে সীমাবদ্ধ করেছিল—(
এইএ ধারা ২২)। যাই হোক, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পরিবর্তনগুলি ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে এনপিসিআইএল-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মাহি বংশওয়াড়ায় একটি বৃহৎ আকারের প্ল্যান্ট নির্মাণ দিয়ে ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন (এনটিপিসি)-‌এর পারমাণবিক ক্ষেত্রে প্রবেশ করা। এটিই প্রথমবার এনপিসিআইএল ছাড়া অন্য কোনও সত্তাকে পারমাণবিক ক্ষেত্রে প্রবেশ করতে দিয়েছিল, এবং এই ঘটনাটিকে পারমাণবিক ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণের দিকে প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে দেখা যেতে পারে।


সরকারি ও বেসরকারি সেতুবন্ধন: ভারত ছোট চুল্লির জন্য চাপ দেওয়া

নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারতের দায়বদ্ধতা ভারত স্মল রিঅ্যাক্টর (বিএসআর) — দেশীয় ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর) — এর উন্নয়নের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। সরকার বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এসএমআর বাজারের সমস্যাগুলি মোকাবিলা করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে
বিএসআর-‌গুলি ঘোষণা করেছে, যেগুলি সুসংবদ্ধ, পরিবর্তনযোগ্য, এবং দ্রুত স্থাপন করা যায়। দেশীয় প্রেসারাইজড হেভি ওয়াটার রিঅ্যাক্টর (পিএইচডাবলুআর) প্রযুক্তি-‌ভিত্তিক বিএসআরগুলি যেমন বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, স্মার্ট শহর বা ভারী শক্তির প্রয়োজনীয়তা-‌সম্পন্ন শিল্পের মতো অর্থনৈতিক ও পরিকাঠামোগত প্রকল্পগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, তেমনই বিএসআর অন্তর্ভুক্ত করার জন্য পারমাণবিক পরিকাঠামো পুনর্গঠনের আর্থিক প্রতিশ্রুতিও অপরিসীম, যা প্রায়শই এককভাবে সরকারের ক্ষমতার বাইরে। প্রস্তাবের জন্য অনুরোধের (আরএফপি) মাধ্যমে ব্যক্তিগত বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা শুধুমাত্র এই বোঝাকে কমিয়ে দেয় না, বরং লাভের পুঁজিবাদী স্বাদও এনে দেয়। সেইসঙ্গেই তা ভারতের শক্তি কৌশলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের সমাধান করে: স্থিতিশীলতা, শক্তি নিরাপত্তা, ও শিল্প প্রতিযোগিতা।



সরকার বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এসএমআর বাজারের সমস্যাগুলি মোকাবিলা করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে বিএসআর ঘোষণা করেছে, যেগুলি সুসংবদ্ধ, পরিবর্তনযোগ্য, এবং দ্রুত স্থাপন করা যায়।


আরএফপি প্রাক-প্রকল্প মূল্যায়নের সঙ্গে শুরু করে একটি চার-পদক্ষেপের প্রকল্পের পদ্ধতিকে চিহ্নিত করে, যার মধ্যে প্রথমে আসবে নির্মাণভূমি অধ্যয়ন এবং ন্যূনতম ৩৩১ হেক্টর জমিতে যমজ ইউনিট (২ x ২২০ মেগাওয়াট) স্থাপনের ছাড়পত্র। পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদি লিজের জন্য এটি এনপিসিআইএল-কে সাব-লিজ দেওয়া হবে (৯৯ বছর বা তার বেশি)। এরপর এনপিসিআইএল-‌এর তত্ত্বাবধানে প্ল্যান্টের নির্মাণ শুরু হবে এবং তা সম্পূর্ণ হওয়ার পর জমি-‌সহ সমস্ত সম্পদ ১ টাকার নামমাত্র মূল্যে দখল, নিয়ন্ত্রণ ও চালনার জন্য এনপিসিআইএল-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে৷ প্ল্যান্টটি চালু থাকার পর্যায়ে এনপিসিআইএল দ্বারা পরিচালিত হবে, এবং ব্যবহারকারীরা এর খরচ বহন করবেন। অবশেষে এটি ডিকমিশন (‌মেয়াদ শেষে ভেঙে ফেলা)‌ হবে, যা পারমাণবিক শক্তি আইন অনুসারে ব্যবহারকারীর দ্বারাই অর্থায়িত হবে৷ পুরো প্রক্রিয়া চলাকালীন, ব্যবহারকারীকে পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রক বোর্ড (এইআরবি) এর সাইটিং, নির্মাণ, চালনা এবং ডিকমিশন করার জন্য নির্দেশিকাগুলি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

আর্থিক বাধ্যবাধকতা

আরএফপি স্পষ্টভাবে ব্যবহারকারীর আর্থিক বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রগুলিকে সংজ্ঞায়িত করে। আরএফপি অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণ ও ডিকমিশনিং খরচ সহ পুরো মূলধনী ব্যয় ও পরিচালন ব্যয় ব্যবহারকারী বহন করবে। উপরন্তু, এটি উল্লেখ করে যে ব্যবহারকারীদের প্ল্যান্টের পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বার্ষিক ফি দিতে হবে, যার মধ্যে বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ ও পরিষেবার দামও থাকবে, যা কেডাবলুএইচ প্রতি ০.‌৬০ টাকা দিয়ে শুরু হবে এবং প্রতি বছর কেডাবলুএইচ প্রতি ০.০১ টাকা বৃদ্ধি পাবে। এই ফি হল এনপিসিআইএল-‌এর প্রযুক্তিগত তদারকি, নিয়ন্ত্রক সম্মতি ও পরিচালনগত দক্ষতা প্রদানের বিনিময় মূল্য।

এনপিসিআইএল-এর সঙ্গে সহযোগিতা করার জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় আর্থিক বিনিয়োগের স্পষ্ট পরিসংখ্যান সরাসরি আরএফপি থেকে পাওয়া যাবে না। তবে যেহেতু আর্থিক যোগ্যতা এবং ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষ অনুযায়ী ৩,০০০ কোটি টাকার কম নয় এমন নেট ওয়ার্থের প্রমাণ দিতে বলা হয়েছে, এবং সেইসঙ্গে ঋণ পাওয়ার প্রশ্নে বেশি মাত্রায় স্বচ্ছলতা দাবি করা হয়েছে, তাই মোটামুটি অনুমান করা যায় যে প্রকল্পের ব্যয়ভার কম হবে না।

আন্তর্জাতিক মাত্রা: মার্কিন-ভারত পারমাণবিক সম্পর্ক

একটি ইতিবাচক বাঁকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ভারতীয় পারমাণবিক সংস্থাগুলির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞাগুলি অপসারণের কথা ঘোষণা করে ভারতের সঙ্গে তার কৌশলগত অংশীদারি শক্তিশালী করেছে৷ বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আসে প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভানের নয়াদিল্লি সফরের সময়, যেখানে তিনি এই কথা বলে এই নীতি পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ঐতিহাসিকভাবে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার প্রতিবন্ধকতা দূর করা।



সাম্প্রতিক পদক্ষেপটি এই ক্রমাগত বিধিনিষেধগুলিকে মোকাবিলা করে, গভীর সহযোগিতাকে উত্সাহিত করে এবং ২০১৯ সালের পরে ভারত-মার্কিন পারমাণবিক সহযোগিতায় একটি মানদণ্ড চিহ্নিত করে, যেখানে উভয় দেশ ভারতে ছয়টি মার্কিন-পরিকল্পিত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সম্মত হয়েছিল।

এই সিদ্ধান্তটি ২০০৮ সালের মার্কিন-ভারত বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তির পর থেকে ক্রমান্বয়ে বিকাশের বছরগুলির চূড়ান্ত প্রতীক। যদিও ভারতের ১৯৯৮ সালের পারমাণবিক পরীক্ষার পরে আরোপিত অনেক নিষেধাজ্ঞা কয়েক বছর ধরে প্রত্যাহার করা হয়েছিল, ভারতের পরমাণু শক্তি বিভাগের অধীনে বেশ কয়েকটি সংস্থা — যেমন ভারতীয় সংস্থা ইন্ডিয়ান রেয়ার আর্থ, ইন্দিরা গান্ধী পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র (আইজিসিএআর), এবং ভা‌বা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র (বার্ক) — মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের বিধিনিষেধের তালিকায় রয়ে গিয়েছে। সাম্প্রতিক পদক্ষেপটি এই ক্রমাগত বিধিনিষেধগুলির মোকাবিলা করে, গভীর সহযোগিতাকে উৎসাহিত করে, এবং ২০১৯ সালের পরে ভারত-মার্কিন পারমাণবিক সহযোগিতায় একটি মানদণ্ড চিহ্নিত করে, যেখানে উভয় দেশ ভারতে ছয়টি মার্কিন-পরিকল্পিত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সম্মত হয়েছিল। যাই হোক, দায়বদ্ধতার উদ্বেগ এবং ভারতীয় সংস্থাগুলির উপর বিধিনিষেধের কারণে, অগ্রগতি ধীর হয়েছে। এই বাধাগুলি সরানো হলে, আমরা প্রকল্পে দ্রুত অগ্রগতি দেখার আশা করতে পারি।


উপসংহার

এনপিসিআইএল-‌এর সহযোগিতায় ভারতীয় পারমাণবিক ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি এখন শিল্পটির অনুঘটক হতে প্রস্তুত, যা একটি নির্ভরযোগ্য, পরিচ্ছন্ন ও ব্যয়-স্থিতিশীল শক্তির উৎস প্রদান করে, দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার লক্ষ্য  নিশ্চিত করে, এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সুবিধার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে শক্তির উচ্চ চাহিদা পূরণ-‌সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রকে উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত করতে পারে। অধিকন্তু, ভারতের পারমাণবিক শক্তির বাজারে বেসরকারি খেলোয়াড়দের  প্রবেশ, সাম্প্রতিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিলিতভাবে, দেশের শক্তির গতিশীলতায় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত চিহ্নিত করে যা শক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতের সাহসী পদক্ষেপের উপর জোর দেয়। নীতি সমর্থন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, এবং বেসরকারি ক্ষেত্রের বুদ্ধিমত্তার সঠিক সংমিশ্রণে ভারতের পারমাণবিক শক্তির উচ্চাকাঙ্ক্ষা অভূতপূর্ব উচ্চতায় উন্নীত হতে চলেছে।



কাব্য ওয়াধওয়া পারমাণবিক শক্তির সমর্থক এবং নীতি বিশ্লেষক যিনি টেকসই শক্তি সমাধানের প্রচার এবং নীতি সংস্কারে নিবেদিত।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Author

Kavya Wadhwa

Kavya Wadhwa

Kavya Wadhwa is a nuclear energy advocate and policy analyst dedicated to promoting sustainable energy solutions and driving policy reforms. His research primarily focuses on ...

Read More +