Author : Soumya Bhowmick

Published on Feb 23, 2025 Updated 0 Hours ago

২০৩০ এসডিজি সময়সীমা কাছাকাছি এসে যাওয়ায় এখন উদ্ভাবনী কৌশল অপরিহার্য। ভারত, গ্লোবাল সাউথের একটি নেতৃস্থানীয় কণ্ঠস্বর হিসাবে, শূন্যতা পূরণে এবং এর অগ্রগতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এসডিজি-গুলির মধ্য দিয়ে পথ চলা: গ্লোবাল সাউথে ভারত

রাষ্ট্রপুঞ্জ ২০১৫ সালে স্থিতিশীল উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) প্রবর্তন করে। এই ১৭টি আন্তঃসংযুক্ত লক্ষ্যের উদ্দেশ্য হল ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য, অসমতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত অবনতির মতো চাপের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা। তাদের উচ্চাভিলাষী প্রকৃতি সত্ত্বেও, এসডিজি-‌গুলি বাস্তবায়নে অন্তর্নিহিত চ্যালেঞ্জ-‌সহ উল্লেখযোগ্য বৈপরীত্য রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, এসডিজি ৮ দ্রুত অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পক্ষে কথা বলে, যেখানে এসডিজি ১৩ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানায়। এই দ্বন্দ্বগুলি ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং মানুষের কল্যাণের জটিলতাকে কম  গুরুত্ব দেয়।


যদিও নর্ডিক দেশগুলি এসডিজি অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং ব্রিকস দেশগুলি কিছুটা অগ্রগতি দেখিয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশগুলি আরও পিছিয়ে পড়ছে, যার ফলে বৈশ্বিক বৈষম্য বেড়ে চলেছে ৷



এসডিজি লক্ষ্যমাত্রার মাত্র
১৬ শতাংশ অগ্রগতি দেখা যায়, আর ক্ষুধা (এসডিজি ২), স্থিতিশীল শহর (এসডিজি ১১), জীববৈচিত্র্য (এসডিজি ১৪ ও ১৫), ও ন্যায়বিচার (এসডিজি ১৬)-‌এর মতো ক্ষেত্রগুলি পিছিয়ে যাচ্ছে। জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি, ক্রমবর্ধমান স্থূলতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হ্রাস, এবং জীবন প্রত্যাশার উপর কোভিড-১৯ অতিমারির প্রভাব (এসডিজি ৩)-‌এর মতো চ্যালেঞ্জগুলি অগ্রগতিকে আরও বাধা দিয়েছে। যদিও নর্ডিক দেশগুলি এসডিজি অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং ব্রিকস দেশগুলি কিছুটা অগ্রগতি দেখিয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশগুলি আরও পিছিয়ে পড়ছে, যার ফলে বৈশ্বিক বৈষম্য বেড়ে চলেছে৷ ২০৩০ সময়সীমার কাছাকাছি আসার সময় এই লক্ষ্যগুলিকে কার্যকরভাবে সামঞ্জস্যপূরণ করার জন্য বিভিন্ন উদ্ভাবনী কৌশল প্রয়োজন৷ ভারত, গ্লোবাল সাউথের প্রধান প্রবক্তা, ব্যবধান পূরণে এবং অগ্রগতি চালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গ্লোবাল সাউথে এসডিজি অর্থায়ন মোকাবিলা করা
 
পরিকাঠামো, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় উন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে বৈষম্য গ্লোবাল সাউথের এসডিজি বাস্তবায়নে বাধা দেয়। যাই হোক, অর্থায়ন সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বাধাগুলির মধ্যে একটি রয়ে গেছে। কোভিড-১৯ অতিমারির আগে, উন্নয়নশীল দেশগুলিতে বার্ষিক
এসডিজি অর্থায়নের ব্যবধান ছিল ২.৫  ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। রাষ্ট্রপুঞ্জের অনুমান অনুসারে, অতিমারি-‌পরবর্তী সময়ে এই ঘাটতি বার্ষিক ৪.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বৈশ্বিক স্তরে, ভারত জি২০-র মাধ্যমে স্থিতিশীল উন্নয়ন বন্ড গ্যারান্টির পক্ষে ওকালতি করতে পারে, যা বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাঙ্কগুলিকে উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে এসডিজি-কেন্দ্রিক প্রকল্পগুলির জন্য ক্রেডিট গ্যারান্টি প্রদান করতে সক্ষম করে৷

চিত্র ১: মূল এসডিজি ভার্টিকাল জুড়ে মূলধন ব্যয়ের প্রয়োজনীয়তা (ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার)
 Navigating The Sdgs India In The Global South
সূত্র:
ওয়র্ল্ড ইকনমিক ফোরাম, ‌২০২৩

২০২১ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে, ইউএনসিট্যাড অনুমান প্রকাশ করে যে, উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) ২ শতাংশ
কমেছে, এবং আফ্রিকা, এশিয়া, ওশেনিয়া ও স্বল্পোন্নত দেশগুলির জন্য ৩.৫ শতাংশের বেশি কমেছে। যৌথ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে আফ্রিকান এবং ইন্দো-প্যাসিফিক দেশগুলির সঙ্গে ভারতের অংশীদারিত্ব এই সহযোগিতার সুবিধার উদাহরণ দেয়। যাই হোক, উন্নয়নশীল দেশ জুড়ে আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সম্পদের ঘাটতি এই ধরনের উদ্যোগের মাপযোগ্যতা সীমিত করে।

এসডিজি অগ্রগতির ক্ষেত্রে জলবায়ু চ্যালেঞ্জ

জলবায়ু পরিবর্তন একাধিক এসডিজি-র অগ্রগতির জন্য একটি স্বতন্ত্র চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, যেমন খাদ্য নিরাপত্তা (এসডিজি ২), জলের সুযোগ (এসডিজি ৬), ও দারিদ্র্য হ্রাস (এসডিজি ১)-‌এর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার মতো উন্নয়নশীল অঞ্চলে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক
অনুমান করেছে যে, জলবায়ু পরিবর্তন ২০৩০ সালের মধ্যে ১৩২ মিলিয়ন মানুষকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিতে পারে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে বসবাস করেন। ভারতের ৬০ শতাংশেরও বেশি কৃষিকাজ বৃষ্টিনির্ভর, যা একে বৃষ্টিপাতের ধরন, চরম আবহাওয়ার ঘটনা ও ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার প্রেক্ষিতে বিশেষভাবে সংবেদনশীল করে তোলে। ভারতের উচ্চাভিলাষী নবায়নযোগ্য শক্তির লক্ষ্য থাকা সত্ত্বেও জলবায়ু অভিযোজনে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও দুর্বল জনগোষ্ঠীর জন্য, আরও জোর দেওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে পরিকাঠামো ও স্থিতিশীল নগর উন্নয়নে এসডিজি অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ উন্মুক্ত করার প্রশ্নে বেসরকারি ক্ষেত্র গুরুত্বপূর্ণ। ভারত তার
স্মার্ট সিটি মিশন এবং অন্যান্য পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তবুও, এই প্রকল্পগুলি প্রায়শই নিয়ন্ত্রক অনিশ্চয়তা, ঝুঁকি উপলব্ধি এবং যথাযথ কাঠামোর অভাবের সঙ্গে লড়াই করে। এটি বড় আকারের বিনিয়োগ আকর্ষণ করাকে চ্যালেঞ্জিং করে তোলে, বিশেষ করে পরিচ্ছন্ন শক্তি ও স্থিতিশীলতার অনুসারী পরিবহণের মতো ক্ষেত্রে, যেখানে অগ্রিম মূলধন খরচ বেশি এবং ব্যয়িত অর্থের প্রত্যাবর্তন (‌রিটার্ন)‌ দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে।


ভারতের ৬০ শতাংশেরও বেশি কৃষিকাজ বৃষ্টিনির্ভর, যা একে বৃষ্টিপাতের ধরন, চরম আবহাওয়ার ঘটনা ও ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার প্রেক্ষিতে বিশেষভাবে সংবেদনশীল করে তোলে।



প্রত্যক্ষ জলবায়ুর প্রভাব ছাড়াও, পরিবেশগত অবনতির কারণে অভিবাসনের চাপ তীব্রতর হচ্ছে।
বিশ্ব ব্যাঙ্ক ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে ২০৫০ সালের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকা জুড়ে ১৪৩ মিলিয়ন মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হতে পারেন। ভারত ইতিমধ্যেই খরা ও বন্যার দ্বারা চালিত গ্রাম থেকে শহুরে অভিবাসনের সম্মুখীন হচ্ছে, যা শহুরে পরিকাঠামোর উপর চাপ দেয় এবং বৈষম্য বাড়িয়ে তোলে। একটি জাতীয় জলবায়ু অভিবাসন নীতি অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনসংখ্যাকে সমর্থন করার জন্য সামাজিক কল্যাণ কর্মসূচির সঙ্গে অভিযোজন কৌশলগুলিকে একীভূত করতে পারে।

ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও)
অনুমান করে যে সবুজ অর্থনীতিতে রূপান্তর যেমন ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ২৪ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, তেমনই কয়লা, তেল ও ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্ষেত্রে ৬ মিলিয়ন চাকরি হারানোর কারণ হতে পারে। ভারত, যে তার শক্তির প্রয়োজনের জন্য কয়লার উপর প্রচুর পরিমাণে নির্ভর করে, একটি সংশয়ের মুখোমুখি: কীভাবে পরিবেশগত অবনতি না বাড়িয়ে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান করা যায়। অভ্যন্তরীণভাবে, ভারতের উচিত একটি কার্বন মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি প্রয়োগ করা, যা কোম্পানিগুলিকে পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি গ্রহণ করতে এবং তাদের পরিবেশগত প্রভাব কমাতে উৎসাহিত করে।

একটি স্থিতিশীল ভবিষ্যতের জন্য ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি

প্রযুক্তিগত বিবর্তন এসডিজি লক্ষ্যমাত্রার দিকে অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার জন্য একটি শক্তিশালী চালক, কিন্তু এর অসম বণ্টন উল্লেখযোগ্য বৈষম্য সৃষ্টি করে। ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ)-‌এর বক্তব্য অনুসারে, বিশ্বব্যাপী
২.৭ বিলিয়ন মানুষের এখনও ইন্টারনেটে সুযোগের অভাব রয়েছে, যাঁদের অধিকাংশই উন্নয়নশীল দেশগুলিতে বসবাস করেন। ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি অবশ্যই মানসম্পন্ন শিক্ষা (এসডিজি ৪) ও স্বাস্থ্যসেবা (এসডিজি ৩)-‌র মতো এসডিজি-‌গুলির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে আসতে পারে, কিন্তু ডিজিটাল বিভাজন মোকাবিলা না করতে পারলে অনেক জনসম্প্রদায় পিছিয়েই থাকবে৷

ভারতের ৫০ শতাংশেরও বেশি গ্রামীণ পরিবার ডিজিটাল বিশ্ব থেকে
সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে, যা অনলাইন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও আর্থিক পরিষেবাগুলির ব্যবহার মারাত্মকভাবে সীমিত করে — যেগুলি কিনা এসডিজি অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ চালক৷ ন্যাশনাল ডিজিটাল লিটারেসি অ্যান্ড অ্যাকসেস প্রোগ্র‌্যাম চালু করা হলে তা সাশ্রয়ী মূল্যের ডিজিটাল ডিভাইস ও ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদান করতে পারে, এবং দক্ষতা বিকাশের উদ্যোগের সঙ্গে মিলিতভাবে ডিজিটাল ব্যবহারের সঙ্গে আসা সুযোগগুলিকে দেশের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী সম্পূর্ণরূপে কাজে লাগাতে পারে।


ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি অবশ্যই মানসম্পন্ন শিক্ষা (এসডিজি ৪) ও স্বাস্থ্যসেবা (এসডিজি ৩)-‌র মতো এসডিজি-‌গুলির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে আসতে পারে, কিন্তু ডিজিটাল বিভাজন মোকাবিলা না করতে পারলে অনেক জনসম্প্রদায় পিছিয়েই থাকবে ৷


 

বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের ভবিষ্যৎ তৈরি করা
 
ইউএন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনডিপি) অনুসারে, বৈশ্বিক এসডিজি সূচকের প্রায় অর্ধেকের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ডেটার
অভাব রয়েছে, যা এগুলির অগ্রগতির পথ অনুসরণ করা কঠিন করে তোলে। এসডিজি-‌গুলি অর্জনের জন্য দৃঢ় পর্যবেক্ষণ ও জবাবদিহিতা অপরিহার্য, কিন্তু নির্ভরযোগ্য তথ্যের অনুপস্থিতি একটি উল্লেখযোগ্য বাধা, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে। ভারতে, এসডিজি ইন্ডিয়া সূচক, যা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অগ্রগতি অনুসরণ করে, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা প্রসারে একটি অগ্রণী প্রচেষ্টা।

চিত্র ২: এসডিজি ইন্ডিয়া ইনডেক্স ২০২৩-‌এর পর্যালোচনা
 Navigating The Sdgs India In The Global South
সূত্র:
এসডিজি ইন্ডিয়া ইনডেক্স রিপোর্ট, ২০২৩

অবশেষে, ২০৩০-‌এর সময়সীমা কাছাকাছি আসার সময় এসডিজি-‌গুলি উদীয়মান চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হচ্ছে এবং এর প্রতিকার দূরদর্শী কৌশল দাবি করে৷ ডিজিটাল সমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (‌এআই), ও স্থিতিস্থাপক নগরায়ণ ক্রমশ অতি-‌গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই চ্যালেঞ্জগুলির মধ্য দিয়ে এগনোর জন্য ভারতের সক্রিয় দৃষ্টিভঙ্গি দেশটিকে স্থিতিশীল উন্নয়নে একটি বিশ্বনেতা করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে, উদ্ভাবনী নীতি বাস্তবায়ন করে, এবং ২০৩০-পরবর্তী চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুতির মাধ্যমে, ভারত আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গঠনে তার ভূমিকাকে শক্তিশালী করতে পারে। 



সৌম্য ভৌমিক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি (সিএনইডি)-‌র ওয়র্ল্ড ইকনমি অ্যান্ড সাসটেনেবিলিটি-‌র একজন ফেলো ও লিড।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.