Published on Jan 31, 2025 Updated 0 Hours ago

হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি), যা একটি দীর্ঘস্থায়ী রেসপিরেটরি ভাইরাস, অতিমারি-পরবর্তী বিশ্বে নজর কেড়েছে এবং সম্ভাব্য বড় আকারের প্রাদুর্ভাব নিয়ে আশঙ্কা তৈরি করেছে

এইচএমপিভি: আরেকটি মরসুমি প্রাদুর্ভাব না উদ্বেগের নতুন কারণ?

উত্তর গোলার্ধে শীত শুরু হওয়ার সময় মনোযোগ শ্বাসযন্ত্রের একটি সংক্রমণের দিকে সরে গিয়েছে, যা চিন এবং এখন ভারতেও শিরোনামে রয়েছে। বর্তমানে স্পটলাইট পড়েছে হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি)-‌এর উপর। এটি এমন একটি ভাইরাস যা প্রধানত শিশু, বয়স্ক ও ইমিউনোকম্প্রোমাইজড মানুষের মধ্যে শ্বাসনালীর উপরের অংশে হালকা সংক্রমণ ঘটায়। মিডিয়ার উচ্চতর মনোযোগ আবার একটি লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব ব্যবস্থার সম্ভাবনাসহ কোভিড-এর মতো প্রতিক্রিয়ার জল্পনা সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞরা কিন্তু জোর দিয়ে বলেছেন যে এইচএমপিভি হল একটি মরসুমি ঘটনা (জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে সর্বোচ্চ) যা সাধারণত স্ব-সীমাবদ্ধ থাকে, বা সংবেদনশীল জনসংখ্যার বেশিরভাগের ক্ষেত্রে ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। সংক্রমণ আংশিক অনাক্রম্যতা তৈরি করে, ফলে মানুষ আবার ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে  পুনরায় সংক্রমিত হয়। কর্তৃপক্ষ জানায় যে ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে সতর্কতা বজায় রাখতে হবে।


বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেছেন যে এইচএমপিভি হল একটি মরসুমি ঘটনা (জানুয়ারি এবং মার্চের মধ্যে সর্বোচ্চ) যা সাধারণত স্ব-সীমাবদ্ধ থাকে, বা সংবেদনশীল জনসংখ্যার বেশিরভাগের জন্য ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।



ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) দেশে এইচএমপিভি-‌র
সাতটি কেস রিপোর্ট করেছে, যার সবগুলোই শিশুদের সংক্রমিত হওয়ার ঘটনা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের (এমওএইচএফডব্লিউ) মতে, শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতাগুলির উপর দেশের চলতি নজরদারির অংশ হিসাবে এগুলি ধরা পড়েছিল। আক্রান্ত ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের কোনও ইতিহাস নেই, অর্থাৎ তারা দেশের অভ্যন্তরে সংক্রমণের মাধ্যমে এইচএমপিভি অর্জন করেছে।

ক্লিনিকাল প্রোফাইল এবং ভারতের ইমিউনিটি লেজার

২০০০-এর দশকের গোড়ার দিকে
ডাচ বিজ্ঞানীরা শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে (আরটিআই) আক্রান্ত শিশুদের শ্বাসযন্ত্রের ক্ষরণের প্রেক্ষিতে এই অসুখটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত করলেও, এইচএমপিভি অন্তত পাঁচ দশক ধরে মানুষকে সংক্রমিত করে চলেছে। কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে বিশ্বব্যাপী তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের প্রায় ৫-১০ শতাংশের জন্য এইচএমপিভি দায়ী। অনেকটা তার ঘনিষ্ঠ স্বজন রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাস (আরএসভি)-‌এর মতোই এইচএমপিভি খুব অল্পবয়সী, বয়স্ক ও ইমিউনোকম্প্রোমাইজড ব্যক্তিদের সবচেয়ে বেশি আঘাত হানে, যা মাঝে মাঝে ব্রঙ্কিওলাইটিস, নিউমোনিয়া বা তীব্র হাঁপানির মতো গুরুতর নিম্ন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের দিকে চালিত করে।


এই প্রসঙ্গে ভারতের জনসংখ্যার মানচিত্র দেখায় যে জনসংখ্যার
 ১০ শতাংশেরও বেশি ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী, এবং প্রায় ১৩ শতাংশের বয়স ছয় বছরের কম। যদিও ইমিউনোকম্প্রোমাইজড ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্ট ডেটা ট্র্যাক করা হয় না, এটি প্রায় ২-৩ শতাংশ হিসাবে অনুমান করা যেতে পারে, যার মধ্যে অপুষ্টি, ক্যান্সার, এইচআইভি/এডস বা ট্রান্সপ্ল্যান্ট হওয়া, এবং ইমিউনো-সাপ্রেসেন্ট ওষুধ খাচ্ছেন এমন ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত। ভারতে বিভিন্ন গবেষণায় পরীক্ষা করা শিশুদের তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের প্রায় ৩-১০ শতাংশের মধ্যে এইচএমপিভি সনাক্ত করা হয়েছে, এবং এর গড় বিস্তার ৪-১২ শতাংশের মধ্যে পরিবর্তিত হয়। গবেষণার ঘাটতির ফলে ভারতে আরটিআই-এর কারণ হিসাবে এইচএমপিভি-কে অবমূল্যায়ন করা হয়। এছাড়াও এই বিষয়ে উপলব্ধ তথ্যগুলি ছোট আকারের সেটিংসে স্থানীয়ভাবে থেকে গিয়েছে, আর সেগুলির বেশিরভাগই এক দশকেরও বেশি পুরনো।


সাম্প্রতিক সরকারি কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার ও বিবৃতি অনুসারে, টেস্ট করে পজিটিভ রিপোর্ট আসার ঘটনা শিরোনাম হলেও শীতকালীন শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতাগুলির মধ্যে কোন লক্ষণীয় ঊর্ধ্বগতি বা অস্বাভাবিক ধরন দেখা যায়নি, এবং এর মধ্যে এইচএমপিভি অন্তর্ভুক্ত৷



ক্লিনিক্যালি, এইচএমপিভি অন্যান্য সাধারণ শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের মতো সংক্রমণ ঘটাতে পারে, এবং জ্বর, কাশি, সর্দি, গলা ব্যথা ও শ্বাসকষ্টের মতো
লক্ষণগুলির কারণ হতে পারে — অনেকটা সাধারণ সর্দি-কাশির মতো। ইনকিউবেশন পিরিয়ড প্রায় ৩ থেকে ৬ দিন, এবং ভাইরাসটি শীতের শেষের দিকে এবং বসন্তের শুরুতে শীর্ষে থাকে। এটি সোয়াব বা অ্যাসপিরেটের মতো শ্বাসনালীর নমুনার রিয়েল-টাইম রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ পলিমারেজ চেন রিঅ্যাকশন (আরটি-পিসিআর) পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়, যদিও ভাইরাল কালচার এবং অ্যান্টিজেন পরীক্ষার পদ্ধতিও ব্যবহার করা যেতে পারে। নেদারল্যান্ডসে রেট্রসপেকটিভ সেরোপ্রিভ্যালেন্স স্টাডি এবং নজরদারি প্রচেষ্টা ইঙ্গিত দেয় যে, অনেক শিশু (প্রায় সবাই পাঁচ বছর বয়সের) এইচএমপিভি-‌র বিরুদ্ধে অল্পস্থায়ী অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এই বিস্তৃত অন্তর্নিহিত অনাক্রম্যতা সম্ভবত এইচএমপিভি-‌র ক্ষেত্রে রিপোর্ট অনুযায়ী কম মৃত্যুর হারের জন্য দায়ী। প্রকৃতপক্ষে, সাম্প্রতিক সরকারি কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার ও বিবৃতি অনুসারে, টেস্ট করে পজিটিভ রিপোর্ট আসার ঘটনা শিরোনাম হলেও শীতকালীন শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতাগুলির মধ্যে কোনও লক্ষ্যণীয় ঊর্ধ্বগতি বা অস্বাভাবিক ধরন দেখা যায়নি, এবং এর মধ্যে এইচএমপিভি অন্তর্ভুক্ত৷


জনস্বাস্থ্যের পরামর্শের মধ্যে লক্ষণযুক্ত শিশুদের স্কুলে না-‌পাঠানো, হাতের পরিচ্ছন্নতার স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলন করা, এবং ভিড়ের জায়গায় মুখোশ পরার মতো সাধারণ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত। তবে বাস্তব ক্ষেত্রের পর্যবেক্ষণগুলি থেকে বোঝা যায় যে ভারতীয় জনসাধারণ কোভিড যুগ থেকে শিখে নেওয়া প্রতিরোধমূলক আচরণ থেকে অনেকাংশে পিছিয়ে পড়েছেন। এছাড়াও, সুস্থ ব্যক্তিরা সাধারণত 
শুধু হালকা ও স্ব-সীমাবদ্ধ লক্ষণগুলির দ্বারা প্রভাবিত হন, যা এই সত্যটিকে আরও শক্তিশালী করে যে, এইচএমপিভি ভারতে কম মৃত্যুর হার এবং বিস্তৃত প্রাক-বিদ্যমান অনাক্রম্যতার কারণে দেশের অনেক রুটিন  শ্বাসযন্ত্রের প্যাথোজেনগুলির মধ্যে একটি।

এইচএমপিভি হাইপ নাকি অন্য ফ্লু?

বর্তমান প্রাদুর্ভাব নিয়ে আশঙ্কার কেন্দ্রে আছে এইচএমপিভি-‌র কারণে চিনের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা হাসপাতালে ভর্তি করা নিয়ে হিমসিম খাচ্ছে বলে সোশ্যাল মিডিয়া রিপোর্ট, যা আবার কোভিড-এর মতো পরিস্থিতির উদ্বেগকে উস্কে দিয়েছে।

ভারতে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ হেলথ সার্ভিসেস (ডিজিএইচএস), এমওএইচএফডব্লিউ-‌এর নেতৃত্বাধীন 
জয়েন্ট মনিটরিং গ্রুপ নিশ্চিত করেছে যে চিনের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, এবং নজরদারি সতর্কতা নিশ্চিত করা হয়েছে। চিনে শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার বর্তমান উত্থান চলতি ফ্লু মরসুমের বৈশিষ্ট্যযুক্ত, এবং এতে শুধু এইচএমপিভি নয়, আরএসভি, ইনফ্লুয়েঞ্জা এ, কোভিড-১৯, হাম ও মাম্পসও রয়েছে।


চিনে শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার বর্তমান উত্থান চলতি ফ্লু মরসুমের বৈশিষ্ট্যযুক্ত, এবং এতে শুধু এইচএমপিভি নয়, আরএসভি, ইনফ্লুয়েঞ্জা এ, কোভিড-১৯, হাম ও মাম্পসও রয়েছে।



এই প্রাদুর্ভাবটি এমন একটি সময়ে ঘটেছে যার পাঁচ বছর আগে চিন ভাইরাসের প্রাণী-মানুষে সংক্রমণের বিবরণ বিলম্বিত করে, এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (‌হু)‌ সঙ্গে জিনগত বিশ্লেষণ ও রোগীর তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভাগ করে নিতে দ্বিধা করে, কোভিড-১৯-‌এর উত্থানকে লঘু করেছিল।
সম্প্রতি, হু আবারও চিনকে কোভিড-১৯-‌এর উৎপত্তি নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক সমস্ত উপলব্ধ ডেটা শেয়ার করার আহ্বান জানিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিবেদনে চিন স্বাস্থ্যের উন্মাদনায় জড়িয়ে পড়েছে বলে জানানোয় জনসাধারণ আতঙ্কিত হয়েছে। এটি এমন একটি সময়ে এসেছে যখন ভারতীয় মিডিয়া একটি রহস্যময় ‘‌ডিঙ্গা ডিঙ্গা’‌ অসুস্থতা নিয়ে আতঙ্কিত হয়েছিল, যা উগান্ডার কিছু মহিলার অনিয়ন্ত্রিত কাঁপুনির কারণ ছিল। দেশগুলির মধ্যে সময়মতো তথ্য শেয়ার করা এবং রোগের প্রাদুর্ভাবের কথা স্বচ্ছতার সঙ্গে আদান-প্রদান বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসুরক্ষার জন্য অপরিহার্য এবং অতিমারি প্রস্তুতির জন্য সর্বাধিক অগ্রাধিকার। তা সত্ত্বেও, বর্তমান পরিস্থিতি কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়, যা ছিল একটি অভিনব সংক্রামক ভাইরাস যার সংক্রমণের গতিবিদ্যা, আণবিক জীববিজ্ঞান বা ভাইরাল বৈশিষ্ট্যগুলি সেই সময়ে অনেকাংশে অজানা ছিল। চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনের মাধ্যমে বাড়াবাড়ি জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি করে। 


হু-‌এর সাম্প্রতিক বুলেটিনে গত বছর শ্বাসযন্ত্রে সংক্রমণের ক্রমবর্ধমান ঘটনাগুলি উল্লেখ করা হয়েছিল, এবং প্রতিক্রিয়া হিসাবে চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের অধীনস্থ চিনের জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ প্রশাসন (এনসিডিপিএ) পরিস্থিতির উপর নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে। বর্তমান এইচএমপিভি পরিস্থিতিকে চিনের বিদেশমন্ত্রকের একজন মুখপাত্র গত বছরের তুলনায় ‘‌কম গুরুতর’‌ বলে বর্ণনা করেছেন। আর ভারতের জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের (এনসিডিসি) পরিচালক ডাঃ অতুল গোয়েল বলেছেন, "বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই;‌” তবে শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার বিষয়ে সাধারণ সতর্কতা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।


সংক্রমণ কমিয়ে আনা: ব্যবহারিক পদক্ষেপ ও সতর্কতা

যেহেতু বর্তমানে কোনও নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি বা ভ্যাকসিন নেই, তাই ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক স্বাস্থ্যবিধির মাধ্যমে প্রতিরোধই একমাত্র উপায়। পেডিয়াট্রিক ওয়ার্ড, ডে-কেয়ার সেন্টার এবং নার্সিং হোম সহ
উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলি সহজ অভ্যাসগুলি বজায় রাখতে পারে, যেমন হাত ধোয়ার কঠোর প্রয়োগ, সাধারণ পৃষ্ঠের অংশগুলি নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করা, এবং সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে অতিরিক্ত ভিড় এড়ানো।


জনস্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে ভারত এইচএমপিভি-‌র ব্যাপকতা, জেনেটিক বৈচিত্র্য, এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতার সঙ্গে সম্পর্ক নির্ধারণ করতে ব্যাপক গবেষণা চালাতে পারে।


বিভিন্ন ভ্যাকসিন নির্মাতারা এমআরএনএ প্রযুক্তি ও ভাইরাস-সদৃশ কণা (ভিএলপি) ব্যবহার করে প্রিক্লিনিকাল এবং ক্লিনিকাল বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে



পর্যাপ্ত অনাক্রম্যতা অর্জন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অসুবিধার কারণে বৈশ্বিক স্তরে এইচএমপিভি ভ্যাকসিনের বিকাশ
চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। তা সত্ত্বেও, বিভিন্ন ভ্যাকসিন নির্মাতারা এমআরএনএ প্রযুক্তি ও ভাইরাস-সদৃশ কণা (ভিএলপি) ব্যবহার করে প্রিক্লিনিকাল এবং ক্লিনিকাল বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, লন্ডন-ভিত্তিক ভাইসেবিও ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছে এইচএমপিভি ও আরএসভি উভয়কেই লক্ষ্য করে, আর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় মডার্না-র সঙ্গে অংশীদারিত্বে সম্প্রতি প্রথম ধাপের ট্রায়াল শুরু করেছে।


সামনে এগিয়ে
আমাদের কোভিড-ক্লান্ত বিশ্বে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অত্যধিক আতঙ্ক ছড়ানো এবং বাড়াবাড়ি জনসাধারণকে কোভিড-১৯-এর মতো আর একটি সম্ভাব্য জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা নিয়ে আতঙ্কিত করেছে। চিনে রিপোর্ট করা শ্বাসকষ্টের সংখ্যা বৃদ্ধির মধ্যে ভারত এইচএমপিভি ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক বৃদ্ধির উপর নজরদারি চালাচ্ছে। আইসিএমআর-এর সম্প্রতি বাড়তি নজরদারি দেখায় যে ভারত তার সনাক্তকরণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করছে। বর্তমান ফ্লু মরসুম একটি অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে যে, একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্য সুরক্ষা অ্যাজেন্ডার জন্য প্রয়োজন  অবিরাম নজরদারি, সময়মত জৈবিক তথ্য আদান-প্রদান, এবং জনস্বাস্থ্য হস্তক্ষেপের বিচক্ষণ প্রয়োগ।



লক্ষ্মী রামকৃষ্ণন অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের হেলথ ইনিশিয়েটিভের একজন অ্যাসোসিয়েট ফেলো।

কে এস উপলব্ধ গোপাল অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের হেলথ ইনিশিয়েটিভের একজন অ্যাসোসিয়েট ফেলো।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Authors

Lakshmy Ramakrishnan

Lakshmy Ramakrishnan

Lakshmy is an Associate Fellow with ORF’s Centre for New Economic Diplomacy.  Her work focuses on the intersection of biotechnology, health, and international relations, with a ...

Read More +
K. S. Uplabdh Gopal

K. S. Uplabdh Gopal

Dr. K. S. Uplabdh Gopal is an Associate Fellow within the Health Initiative at ORF. His focus lies in researching and advocating for policies that ...

Read More +